আমার ছোটো বেলার টুনি বেলুন

মনে পরে? সেই সাধের ফোলানো বেলুনটা কে দিদার সেলাই বাক্স থেকে চুরি করা সূঁচ দিয়ে কেমন ইচ্ছে করে ফাটিয়ে দিতাম? তারপর সেই ফেটে যাওয়া বেলুনের টুকরো গুলো নিয়েই হতো দৌড় মা এর কাছে। “মা, ও মা, প্লিজ টুনি করে দাওনা। ও মা প্লিজ...” সে মা তখন যতই বলুক না কেন, “আমি এখন কাজে ব্যস্ত আছি। পরে করে দেব।” তবে সেই আমাদের ঘ্যানঘ্যানানি থেকে বিরক্ত হয়ে করে দিতেই হতো। তারপরেই সেই টুনি টাকে নিয়ে শুরু হতো চুলে ঘষা, কখন সেটা ফাটবে......?


ছোটো বেলার এই ছোটো ছোটো জিনিসগুলোই কত আনন্দ দিত, তাই না? বড়ো হয়ে হয়তো আনন্দ খুঁজে পাওয়ার উপায় গুলোও বড়ো বড়ো হয়ে গেছে। তাই আজ হাজার চেষ্টা করেও আনন্দের সঙ্গে লুকোচুরি খেলায় জিতলাম না। ইস্...! বয়সের সঙ্গে আনন্দের সম্পর্কটা যদি ফিসিক্সের বয়েল'স সূত্রের মতো ব্যাস্তানুপাতিক হতো কী ভালোই না হতো। তাই না...?

9 views0 comments

Recent Posts

See All